Categories
News

শিক্ষিকার লাশের ফরেসিক রিপোর্ট শেষে ডক্টর যা বললেন, মামুনের জামিন হবে কি?

নাটোরে কলেজ শিক্ষিকা খায়রুন নাহারের (৪২) লাশ উদ্ধারের ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা, ৫৪ ধারায় স্বামী কলেজ ছাত্র মামুন (২২) গ্রেপ্তার,,,,,

নিচের ছবির মানুষ দুটো কিছুদিন আগেই প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন! বয়সে তারা প্রায় বিশ বছরের ব্যবধান! অসম প্রেম বা বিয়ে আমরা অনেক দেখি কিন্তু এর সুখের পরিসমাপ্তি ঘটে খুবই কম! এখানে বায়োলজিক্যাল বিষয়টা একটা মূখ্য ভূমিকা রাখে!
নারী পুরষের চেয়ে বয়সে অনেক ছোট এটা যেমন সমাজ মেনে নেয় বা সেই সংসার টিকে থাকার নিশ্চয়তা অনেক দেখা যায় তেমনি নারীর চেয়ে পুরুষ বয়সে ছোট এমন সংসার বা বন্ধন টিকে যাওয়ার গল্প খুব কম দেখা যায় ! এটা আমি মনে করি সৃষ্টিগতভাবেই নারী ও পুরুষের স্বক্ষমতা ও গ্রহনের তারমত্য’র কারন! এবং প্রত্যেকটা যুগের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থাও অনেকাংশে এর সাথে জড়িত!

আমরা দেখেছি ১৬ বছরের একটা কিশোরী ৪০ বছরের পুরুষের সাথে বিয়ে হয়ে দিব্যি তার কৈশরী মনোভাব ভুলে নিমগ্ন হয়ে যায় একজন পরিপূর্ণ নারী ও মা হওয়াতে! কিন্তু ক’জন পুরুষ দেখেছি আমরা যারা ১৬ বছরের কিশোর মনোভাব পাল্টে ৪০ বছরের নারীর সঙ্গী হয়ে নিজেকে বদলে ফেলতে..?? না এমনটা খুব কম! নেহাৎ কম! এই কমের পিছনে সৃষ্টিকর্তার দেওয়া নারী ও পুরুষের মানসিক শক্তি ও ক্ষমতা ভূমিকা রাখে!
নারী ও পুরুষের সমান ক্ষমতা ও অধিকার বলতে আমরা যা-ই বুঝিনা কেন আমাদের মানতে হয় আমরা ভিন্ন ক্ষমতা ও অবয়ব নিয়েই সৃষ্টি হয়েছি!
আর এসব বাস্তবতা নিয়ে যারা ভাবেন না বা পর্যালোচনা করেন না তারাই এমন সব অপ্রীতিকর বা বিপদের সম্মুখীন হন !

প্রকৃতি সবসময়ই রিপ্লাই দিতে পছন্দ করে! সেটা হতে পারে তৎক্ষনাৎ হতে পারে বহুদিন পর! এমন অনেক দেখেছি অনেক মানুষ গোপনে অপরাধ করে, কারো ক্ষতি করে, খারাপ কাজে লিপ্ত থাকে! তিনি হয়তো ভাবেন আমার অপরাধ বা কর্মকাণ্ড কেউ হয়তো দেখেনি! হয়তো কিছুদিন তিনি ভালোও থাকেন! কিন্তু প্রকৃতি ভুলে যায় না মানুষের কর্মকান্ড! সে তার প্রতিউত্তর দিবেই! সেটা হতে পারে সেইম পন্থায়, হতে পারে ভিন্ন পন্থায়! ঠিক তেমনি আপনি একটা ভালো কাজ করবেন তারও রিপ্লাই পাবেন না তা নয় ; ভালোকাজেরও প্রতিউত্তর আছে সেটাও প্রকৃতি ভিন্নভাবে দেয়! এবং দিবেই!

সবচেয়ে বড় কথা সময়ের সাথে সাথে যারা নিজেকে পরিবর্তন করতে পারে না তারা কি আসলে কি সঠিক মানুষ..?? আমি মনে করি না!
একটা ১৬ বছরের কিশোরী তার স্কুলে যাওয়ার পথে পাশকাটিয়ে যাওয়া যুবককে দেখে যেমন মিষ্টি হাসি দিবে, বিকেল বেলা প্রতিবেশি দূরের ছাদের ছেলেকে দেখে যে ইশারায় কথা বলবে সেই কিশোরী যখন চল্লিশোর্ধ্ব মা হবে তখন তিনি তার ১৬ বছরের কন্যাকে বলবে, পথে কোন ছেলেদের দিকে তাকাবে না! স্কুল ছুটির পর সোজা বাড়ি আসবে! ঠিক এটাই হলো পরিবর্তন! এটাই হলো বুদ্ধিমত্তার পরিচয়! এটাই হলো বদলে যাওয়া! এটাই বাস্তবতা !!

এই বাস্তবতার সাথে যারা নিজেকে পরিবর্তন করতে পারে না তারাই আপত্তিকর ও অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি করে!
ছবির এই শিক্ষিকা আত্মহত্যা করেছেন না তাকে হত্যা করা হয়েছে তা এখনো প্রমানিত হয়নি! তবে সেটা যা-ই ঘটুক না কেন এই শিক্ষিকার জীবনে বিচক্ষণতার ও সঠিক সিদ্ধান্তের ঘাটতি ছিল বলেই আমি মনে করি! এই ছেলেটার অবয়ব বা তার কথাবার্তা দেখে ও শুনে কি করে মধ্যবয়সী একজন নারী যিনি কিনা পেশায় একজন শিক্ষিকা তিনি কি করে এমন সিদ্ধান্ত নেন!! আবেগ দিয়ে যেমন জীবন চলে না তেমনি আবেগ ছাড়াও জীবন চলে না! শুধু জীবনে সঠিক পথে চলতে থাকতে হয় রুচী ও নিয়ন্ত্রণবোধ!! রুচীর পরিচয় যারা দিতে যানেন না তারা জীবনে ঠকবেই এবং অসম্মানিত হবেই! এটা প্রমানিত !
তাই জীবনকে স্বাভাবিভাবে চলতে রাখতে হয় নিজের উপর আস্থা যা হয়তো ঐ শিক্ষিকা রাখতে পারেন নি! তাই হয়তো নানান প্রশ্নবিদ্ধ প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে তিনি জীবন এভাবে শেষ করলেন বা শেষ করা হয়েছে…! আর এটা যদি আত্মহত্যা না হয়ে হত্যা হয় তাহলে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার জরুরী॥
সমাজ সংস্কারের জন্য হলেও জরুরী॥

Leave a Reply

Your email address will not be published.