Categories
News

#ব্রেকিং নিউজ পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষ নিহত ২০জন আহত ৩৫ জন!(দেখুন ভিডিও)

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম তারেক রহমান বলেন, ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ গিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। পরে একটি গ্রুপ একাডেমির দ্বিতীয় তলা থেকে পুলিশের গাড়িতে ইট ছুড়ে মারে।’
বরগুনায় জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যের সামনেই ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পর সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীদেরকে বেধরক পিটিয়েছে পুলিশ।

বরগুনা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনের সামনে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় সেখানে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা পরে কয়েকটি মোটরসাইকেল ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন।

20220810092534.gif
নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মেদ।

তিনি জানান, দুপুর ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্সে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে ফেরার সময় শিল্পকলা একাডেমির সামনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর পদবঞ্চিত কয়েকজন হামলা চালায়। এ সময় দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এ সময় তারা কয়েকটি মোটরসাইকেলসহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে শিল্পকলা ও লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

এ ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজা জানান, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শিল্পকলায় প্রবেশের সময় হামলাকারীরা ছাদ থেকে তাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ কারণে পুলিশের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে।

রেজাউল কবির বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছিলাম। এ সময় ছাত্রলীগ পরিচয়ে কয়েক সন্ত্রাসী আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা করে। পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

‘নতুন কমিটি ঘোষণার পর ওই সন্ত্রাসীরা একাধিকবার আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা করেছে এবং শহরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।’

পুলিশের বেধড়ক পিটুনি খেল ছাত্রলীগ
তবে সভাপতি পদবঞ্চিত জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সবুজ মোল্লা মোবাইল ফোনে বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি বা আমার সমর্থক কোনো ছাত্রলীগ কর্মী জড়িত না। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু হঠাৎ পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। কী ঘটেছে জানার চেষ্টা করছি।’

নদীবন্দর থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের এ নেতা বলেন, ‘ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী নদীবন্দরে যায়নি। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ছাত্রলীগের নয়।’

এ বিষয়ে জানতে এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভুর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.